নিউজিল্যান্ড তাদের সেরা ১৬-১৭ জন ক্রিকেটারকে ছাড়াই বাংলাদেশে এসেছে। শক্তির বিচারে একে ‘বি’ এমনকি ‘সি’ দল বললেও হয়তো ভুল হবে না। তবে প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তাকে ক্রিকেটারদের নাম বা চেহারা দিয়ে বিচার করতে নারাজ বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স। তার কাছে নিউজিল্যান্ড মানেই এক শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, যাদের তিনি কিউইদের সেরা দলের মতোই সমীহ করছেন।
নিউজিল্যান্ডের মূল ক্রিকেটারদের বড় একটি অংশ এখন আইপিএল ও পিএসএল নিয়ে ব্যস্ত। এমনকি এই সফরে আসার কথা ছিল এমন পেসার বেন সিয়ার্সও পরে পিএসএলে সুযোগ পাওয়ায় তাকে দল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বর দল নিউজিল্যান্ড গত বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালিস্ট এবং সবশেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালিস্ট। এমনকি গত জানুয়ারিতে ভারতে গিয়ে ভারতকে হারানোর কীর্তিও আছে তাদের।
টম ল্যাথামের নেতৃত্বে এই সফরে আসা দলটিতে সেই সাফল্যের কারিগরদের প্রায় কেউই নেই। তবে বুধবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স স্পষ্ট করে দিলেন, প্রতিপক্ষ নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো বদল আসেনি।
সিমন্স বলেন, “দ্বিতীয় সারির দল বলে আসলে কিছু নেই। কোনো দেশের প্রতিনিধি হিসেবে যখন একটি দল মাঠে নামে, সেটিই তাদের সেরা দল। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের মতো দল, যাদের পাইপলাইন থেকে একের পর এক ভালো ক্রিকেটার উঠে আসতেই থাকে।”
প্রতিপক্ষের ঘরোয়া ক্রিকেটের অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “একটা বিষয় আমাদের মনে রাখতে হবে, এই ছেলেরা নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রচুর ম্যাচ খেলেছে। তারা যথেষ্ট পোক্ত ও অভিজ্ঞ। তাদের মধ্যে কয়েকজন হয়তো খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি, কিন্তু নিজেদের জীবনে অনেক ক্রিকেট খেলেছে তারা। কাজেই একে দ্বিতীয় সারির দল ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওভাবে চলে না।”
আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।